বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাস্তানাবুদ আর্জেন্টিনা, বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • প্রকাশিত : সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬। ৪:৪৭:৪৫ এএম

এমন একপেশে ফাইনাল শেষ কেউ কবে দেখেছিল? ২০১৮ সালের ফাইনালে ফ্রান্স ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ ব্যবধানে হারায়।সেই ম্যাচেও এতটা অসহায় লাগেনি ক্রোয়েশিয়াকে।মদ্রিচরা একাধিক জালের দেখা পেয়েছিলেন, তৈরী করেছিলেন অনেক সুযোগ।স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে খুঁজেই পাওয়া যায়নি ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে।পাসিং,পজিশন, শট-ম্যাচে লা রোজাদের নিয়ন্ত্রণ ছিল একচেটিয়া। নির্ধারিত ৯০ মিনিট কোনরকম স্পেনকে ঠেকিয়ে রেখেছিল আর্জেন্টিনা।

তবে অতিরিক্ত সময়ে ১০ জনের আলবিসেলেস্তেরা আর পারেনি। আর তাতেই ১৬ বছর বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়নের মুকুট হাতে উঠে স্পেনের।অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধে দুর্দান্ত আক্রমণ থেকে নিকো উইলিয়ামসের পাসে বল পেয়ে দারুণ এক ভলিতে গোল করলেন বদলি নামা ফেরান তোরেস। তাঁর এই গোলেই দশজনের আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মত বিশ্বকাপ শিরোপা জিতল লুইস দে ফুয়েন্তের শিষ্যরা।

 এরপর বাকিসময়ে ম্যাচের গল্প ছিল স্পেনময়।গোলপোস্টের সামনে এমি মার্টিনেজ না থাকলে এই স্কোরলাইন অনেক বেশি মলিন হতো আর্জেন্টিনার জন্য।ওইয়ারসাবাল ২৮ মিনিটে জোরালো শট ঠেকান দারুণ দক্ষতায়।

তখনই ম্যাচের সবচেয়ে বড় ধাক্কা খায় লিওনেল স্কালোনির দল। ম্যাচের ৯৩ মিনিটে লাল কার্ড দেখেন আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ। স্পেনের ডিফেন্ডার পাও কুবার্সিকে কঠিন ফাউল করেন তিনি। দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখায় মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া আর্জেন্টিনার শিরোপা স্বপ্ন তখনই ধুলোয় মিশে যায়।

নির্ধারিত সময়ের পর অতিরিক্ত ৩০ মিনিটের প্রথমার্ধেও (১০৫ মিনিট) কোনো স্পেনকে ঠেকিয়ে রাখেন মার্টিনেজ। অবশেষে ১০৬ মিনিটে ডেডলক ভাঙেন ফেররান তোরেস। ডান পাশ থেকে নিকো উইলিয়ামসের হেড পাসে বাম পায়ের শটে গোল করেন তোরেস। জাতীয় দলের হয়ে এটি তার ২৫তম গোল।

এর আগে, ৯৬ মিনিটে নিকো উইলিয়ামস আর্জেন্টিনার জালে বল জড়ালেও তার আগে মিকেল মেরিনো আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার নিকোলাস ওটামেন্ডিকে ফাউল করায় গোলটি বাতিল করেন রেফারি। ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ার পর ১১৩ মিনিটে তোরেস আবারও বল জালে পাঠালেও বল রিসিভের সময় অফসাইডে থাকায় সেটিও বাতিল হয়।

ম্যাচজুড়ে নিষ্প্রভ আর্জেন্টিনা শেষ কয়েক মিনিট চেষ্টা করে যায় প্রানপণ।শেষ মুহূর্তে হুলিয়ানো সিমিওনের হেড বারের অনেক ওপর দিয়ে উড়ে গেল, আর্জেন্টিনার শেষ আশাটুকও নিভে যায়।

খেলা | ২০ জুলাই ২০২৬

নাস্তানাবুদ আর্জেন্টিনা, বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন

বিস্তারিত | dainikamarnews.com
বিষয় :

নাস্তানাবুদ আর্জেন্টিনা, বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন

Update Time : ০৪:৪৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

এমন একপেশে ফাইনাল শেষ কেউ কবে দেখেছিল? ২০১৮ সালের ফাইনালে ফ্রান্স ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ ব্যবধানে হারায়।সেই ম্যাচেও এতটা অসহায় লাগেনি ক্রোয়েশিয়াকে।মদ্রিচরা একাধিক জালের দেখা পেয়েছিলেন, তৈরী করেছিলেন অনেক সুযোগ।স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে খুঁজেই পাওয়া যায়নি ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে।পাসিং,পজিশন, শট-ম্যাচে লা রোজাদের নিয়ন্ত্রণ ছিল একচেটিয়া। নির্ধারিত ৯০ মিনিট কোনরকম স্পেনকে ঠেকিয়ে রেখেছিল আর্জেন্টিনা।

তবে অতিরিক্ত সময়ে ১০ জনের আলবিসেলেস্তেরা আর পারেনি। আর তাতেই ১৬ বছর বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়নের মুকুট হাতে উঠে স্পেনের।অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধে দুর্দান্ত আক্রমণ থেকে নিকো উইলিয়ামসের পাসে বল পেয়ে দারুণ এক ভলিতে গোল করলেন বদলি নামা ফেরান তোরেস। তাঁর এই গোলেই দশজনের আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মত বিশ্বকাপ শিরোপা জিতল লুইস দে ফুয়েন্তের শিষ্যরা।

 এরপর বাকিসময়ে ম্যাচের গল্প ছিল স্পেনময়।গোলপোস্টের সামনে এমি মার্টিনেজ না থাকলে এই স্কোরলাইন অনেক বেশি মলিন হতো আর্জেন্টিনার জন্য।ওইয়ারসাবাল ২৮ মিনিটে জোরালো শট ঠেকান দারুণ দক্ষতায়।

তখনই ম্যাচের সবচেয়ে বড় ধাক্কা খায় লিওনেল স্কালোনির দল। ম্যাচের ৯৩ মিনিটে লাল কার্ড দেখেন আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ। স্পেনের ডিফেন্ডার পাও কুবার্সিকে কঠিন ফাউল করেন তিনি। দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখায় মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া আর্জেন্টিনার শিরোপা স্বপ্ন তখনই ধুলোয় মিশে যায়।

নির্ধারিত সময়ের পর অতিরিক্ত ৩০ মিনিটের প্রথমার্ধেও (১০৫ মিনিট) কোনো স্পেনকে ঠেকিয়ে রাখেন মার্টিনেজ। অবশেষে ১০৬ মিনিটে ডেডলক ভাঙেন ফেররান তোরেস। ডান পাশ থেকে নিকো উইলিয়ামসের হেড পাসে বাম পায়ের শটে গোল করেন তোরেস। জাতীয় দলের হয়ে এটি তার ২৫তম গোল।

এর আগে, ৯৬ মিনিটে নিকো উইলিয়ামস আর্জেন্টিনার জালে বল জড়ালেও তার আগে মিকেল মেরিনো আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার নিকোলাস ওটামেন্ডিকে ফাউল করায় গোলটি বাতিল করেন রেফারি। ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ার পর ১১৩ মিনিটে তোরেস আবারও বল জালে পাঠালেও বল রিসিভের সময় অফসাইডে থাকায় সেটিও বাতিল হয়।

ম্যাচজুড়ে নিষ্প্রভ আর্জেন্টিনা শেষ কয়েক মিনিট চেষ্টা করে যায় প্রানপণ।শেষ মুহূর্তে হুলিয়ানো সিমিওনের হেড বারের অনেক ওপর দিয়ে উড়ে গেল, আর্জেন্টিনার শেষ আশাটুকও নিভে যায়।

খেলা | ২০ জুলাই ২০২৬

নাস্তানাবুদ আর্জেন্টিনা, বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন

বিস্তারিত | dainikamarnews.com