শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিড়ালের আঁচড়েও আছে বড় ঝুঁকি, যা করবেন

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬। ৪:৪২:৪৮ এএম
কুকুর বা বিড়াল কামড়ালে প্রতিষেধক নেওয়া জরুরি বলে অনেকেই জানেন। তবে বিড়ালের সাধারণ আঁচড় নিয়েও যে বড় ঝুঁকি থাকতে পারে, তা অনেকেরই অজানা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই আঁচড়কেও অবহেলা করা ঠিক নয়, কারণ এতে সংক্রামক রোগের আশঙ্কা থাকে। চিকিৎসকদের মতে, বিড়ালের আঁচড় থেকে ‘ক্যাট স্ক্র্যাচ ডিজিজ’ হতে পারে।
সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ অরুণাংশু তালুকদার জানান, বিড়ালের শরীরে ‘বোর্টোনেলা হেনসেলে’ নামের এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া থাকে, যা আঁচড়, কামড় বা এমনকি লালার মাধ্যমেও মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। একবার রক্তে মিশে গেলে এটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।

এই রোগের ক্ষেত্রে আঁচড়ের জায়গা অস্বাভাবিকভাবে ফুলে ওঠে, আশপাশের গ্রন্থিতে প্রদাহ দেখা দেয় এবং ক্ষতস্থানে পুঁজ বা ঘা হতে পারে। পাশাপাশি জ্বর, তীব্র মাথাব্যথা ও শারীরিক দুর্বলতাও দেখা দিতে পারে।

গুরুতর ক্ষেত্রে সংক্রমণ মস্তিষ্কে পৌঁছে গেলে স্নায়বিক জটিলতা বা অচেতন হওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করছেন চিকিৎসকরা।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, বিড়ালের সঙ্গে খেলা বা আদর করার সময় সতর্ক থাকতে হবে। পোষা বিড়ালের নখ নিয়মিত কেটে রাখা উচিত এবং খেলার পর হাত ভালোভাবে সাবান দিয়ে ধোয়া বা স্যানিটাইজার ব্যবহার করা জরুরি।

বিড়াল আঁচড় দিলে সঙ্গে সঙ্গে ক্ষতস্থান পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে অ্যান্টিসেপ্টিক ব্যবহার করতে হবে। রক্তপাত হলে ব্যান্ডেজ বা গজ লাগানো উচিত এবং দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার। পাশাপাশি টিটেনাস ইনজেকশন নেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।

স্বাস্থ্য | ১৪ জুলাই ২০২৬

বিড়ালের আঁচড়েও আছে বড় ঝুঁকি, যা করবেন

বিস্তারিত | dainikamarnews.com
বিষয় :

বিড়ালের আঁচড়েও আছে বড় ঝুঁকি, যা করবেন

Update Time : ০৪:৪২:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
কুকুর বা বিড়াল কামড়ালে প্রতিষেধক নেওয়া জরুরি বলে অনেকেই জানেন। তবে বিড়ালের সাধারণ আঁচড় নিয়েও যে বড় ঝুঁকি থাকতে পারে, তা অনেকেরই অজানা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই আঁচড়কেও অবহেলা করা ঠিক নয়, কারণ এতে সংক্রামক রোগের আশঙ্কা থাকে। চিকিৎসকদের মতে, বিড়ালের আঁচড় থেকে ‘ক্যাট স্ক্র্যাচ ডিজিজ’ হতে পারে।
সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ অরুণাংশু তালুকদার জানান, বিড়ালের শরীরে ‘বোর্টোনেলা হেনসেলে’ নামের এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া থাকে, যা আঁচড়, কামড় বা এমনকি লালার মাধ্যমেও মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। একবার রক্তে মিশে গেলে এটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।

এই রোগের ক্ষেত্রে আঁচড়ের জায়গা অস্বাভাবিকভাবে ফুলে ওঠে, আশপাশের গ্রন্থিতে প্রদাহ দেখা দেয় এবং ক্ষতস্থানে পুঁজ বা ঘা হতে পারে। পাশাপাশি জ্বর, তীব্র মাথাব্যথা ও শারীরিক দুর্বলতাও দেখা দিতে পারে।

গুরুতর ক্ষেত্রে সংক্রমণ মস্তিষ্কে পৌঁছে গেলে স্নায়বিক জটিলতা বা অচেতন হওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করছেন চিকিৎসকরা।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, বিড়ালের সঙ্গে খেলা বা আদর করার সময় সতর্ক থাকতে হবে। পোষা বিড়ালের নখ নিয়মিত কেটে রাখা উচিত এবং খেলার পর হাত ভালোভাবে সাবান দিয়ে ধোয়া বা স্যানিটাইজার ব্যবহার করা জরুরি।

বিড়াল আঁচড় দিলে সঙ্গে সঙ্গে ক্ষতস্থান পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে অ্যান্টিসেপ্টিক ব্যবহার করতে হবে। রক্তপাত হলে ব্যান্ডেজ বা গজ লাগানো উচিত এবং দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার। পাশাপাশি টিটেনাস ইনজেকশন নেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।

স্বাস্থ্য | ১৪ জুলাই ২০২৬

বিড়ালের আঁচড়েও আছে বড় ঝুঁকি, যা করবেন

বিস্তারিত | dainikamarnews.com