বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খারিজের সরকারি ফি ১১৭০ টাকা, নেওয়ার অভিযোগ ৬০ হাজার: ভূমি অফিসে বাকবিতণ্ডা

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • প্রকাশিত : রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬। ৩:০৩:৫৫ পিএম

মানিকগঞ্জের সদর উপজেলার আটিগ্রাম ইউনিয়ন ভূমি অফিসে জমি খারিজ করতে গিয়ে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া ও প্রতারণার অভিযোগ তুলেছেন সাবেক ইউপি সদস্য ইউসুফ আলী। তাঁর অভিযোগ, জমি খারিজের সরকারি ফির তুলনায় তার কাছ থেকে অতিরিক্ত ৬০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে।

আজ (২৩ আগস্ট) দুপুর ৩টার দিকে এ অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে আটিগ্রাম ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নায়েব সুশীল চন্দ্র মণ্ডল ও কম্পিউটার অপারেটর সিদ্দিকুর রহমানের সঙ্গে ইউসুফ আলীর মুখোমুখি বাকবিতণ্ডা হয়। এ সময় ইউসুফ আলী তার কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ তুলে বিষয়টির ব্যাখ্যা চান। একপর্যায়ে অফিসে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

ভুক্তভোগী ইউসুফ আলীর দাবি, বাবার মৃত্যুর পর জমি খারিজ করতে আটিগ্রাম ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যান তিনি। এ সময় তাকে বিভিন্ন খরচের কথা বলে এক লাখ ২০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। পরে দর-কষাকষির পর তার কাছ থেকে ৬০ হাজার টাকা নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ইউসুফ আলী বলেন, ভূমি অফিসের ওয়াসীম নামে এক ব্যক্তি তার কাছ থেকে ওই টাকা নিয়ে অফিসের নায়েব সুশীল চন্দ্র মণ্ডলের হাতে তুলে দেন। তার অভিযোগ, জমি খারিজের সরকারি ফি যেখানে মাত্র ১ হাজার ১৭০ টাকা, সেখানে তার কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে ৬০ হাজার টাকা।

অভিযোগের বিষয়ে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা সুশীল চন্দ্র মন্ডল বলেন, তিনি এবং তার অফিস সম্পূর্ণ দুর্নীতিমুক্ত। তিনি কোনো টাকা-পয়সা নেননি। ইউসুফ আলী কার হাতে টাকা দিয়েছেন, সে বিষয়েও তিনি অবগত নন বলে দাবি করেন।

এদিকে আটিগ্রাম ভূমি অফিসের কম্পিউটার অপারেটর সিদ্দিকুর রহমান তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।

এ বিষয়ে সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিক্তা খাতুনকে জানানো হলে তিনি বলেন, “যদি এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটে থাকে এবং সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া যায়, তাহলে বিষয়টি আমলে নিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ভুক্তভোগী ইউসুফ আলীর অভিযোগ, শুধু খারিজের টাকা নয়, জমির কাগজপত্র নিয়েও তাকে বিভ্রান্ত করা হয়েছে। জমির প্রকৃত হিসাব ও দলিলের বিষয়েও অসঙ্গতি পেয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

অপরাধ | ২৩ আগস্ট ২০২৬

খারিজের সরকারি ফি ১১৭০ টাকা, নেওয়ার অভিযোগ ৬০ হাজার: ভূমি অফিসে বাকবিতণ্ডা

বিস্তারিত | dainikamarnews.com
বিষয় :

খারিজের সরকারি ফি ১১৭০ টাকা, নেওয়ার অভিযোগ ৬০ হাজার: ভূমি অফিসে বাকবিতণ্ডা

Update Time : ০৩:০৩:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

মানিকগঞ্জের সদর উপজেলার আটিগ্রাম ইউনিয়ন ভূমি অফিসে জমি খারিজ করতে গিয়ে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া ও প্রতারণার অভিযোগ তুলেছেন সাবেক ইউপি সদস্য ইউসুফ আলী। তাঁর অভিযোগ, জমি খারিজের সরকারি ফির তুলনায় তার কাছ থেকে অতিরিক্ত ৬০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে।

আজ (২৩ আগস্ট) দুপুর ৩টার দিকে এ অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে আটিগ্রাম ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নায়েব সুশীল চন্দ্র মণ্ডল ও কম্পিউটার অপারেটর সিদ্দিকুর রহমানের সঙ্গে ইউসুফ আলীর মুখোমুখি বাকবিতণ্ডা হয়। এ সময় ইউসুফ আলী তার কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ তুলে বিষয়টির ব্যাখ্যা চান। একপর্যায়ে অফিসে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

ভুক্তভোগী ইউসুফ আলীর দাবি, বাবার মৃত্যুর পর জমি খারিজ করতে আটিগ্রাম ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যান তিনি। এ সময় তাকে বিভিন্ন খরচের কথা বলে এক লাখ ২০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। পরে দর-কষাকষির পর তার কাছ থেকে ৬০ হাজার টাকা নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ইউসুফ আলী বলেন, ভূমি অফিসের ওয়াসীম নামে এক ব্যক্তি তার কাছ থেকে ওই টাকা নিয়ে অফিসের নায়েব সুশীল চন্দ্র মণ্ডলের হাতে তুলে দেন। তার অভিযোগ, জমি খারিজের সরকারি ফি যেখানে মাত্র ১ হাজার ১৭০ টাকা, সেখানে তার কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে ৬০ হাজার টাকা।

অভিযোগের বিষয়ে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা সুশীল চন্দ্র মন্ডল বলেন, তিনি এবং তার অফিস সম্পূর্ণ দুর্নীতিমুক্ত। তিনি কোনো টাকা-পয়সা নেননি। ইউসুফ আলী কার হাতে টাকা দিয়েছেন, সে বিষয়েও তিনি অবগত নন বলে দাবি করেন।

এদিকে আটিগ্রাম ভূমি অফিসের কম্পিউটার অপারেটর সিদ্দিকুর রহমান তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।

এ বিষয়ে সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিক্তা খাতুনকে জানানো হলে তিনি বলেন, “যদি এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটে থাকে এবং সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া যায়, তাহলে বিষয়টি আমলে নিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ভুক্তভোগী ইউসুফ আলীর অভিযোগ, শুধু খারিজের টাকা নয়, জমির কাগজপত্র নিয়েও তাকে বিভ্রান্ত করা হয়েছে। জমির প্রকৃত হিসাব ও দলিলের বিষয়েও অসঙ্গতি পেয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

অপরাধ | ২৩ আগস্ট ২০২৬

খারিজের সরকারি ফি ১১৭০ টাকা, নেওয়ার অভিযোগ ৬০ হাজার: ভূমি অফিসে বাকবিতণ্ডা

বিস্তারিত | dainikamarnews.com