শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক গতিবিধির উদ্বেগ শিথিল করলেন মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট

কৌশলী ইমা, নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি:
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৬। ২:৪২:০৬ পিএম
মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউম সোমবার বলেছেন, মেক্সিকোর কাছে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক দুটি সামরিক গতিবিধি সম্পর্কে তাদের উদ্বেগ ভুল বোঝাবুঝি থেকে উদ্ভূত হয়েছে এবং তা শিথিল করা হয়েছে। এই ঘটনাগুলো ভেনেজুয়েলায় পূর্ববর্তী হামলার পর মেক্সিকোসহ গোটা অঞ্চলে উদ্বেগ তৈরি করেছিল।
শুক্রবার, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) পূর্ব প্যাসিফিক মহাসাগরের উপরে, মেক্সিকো, মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকার কিছু অংশের কাছে ‘সামরিক গতিবিধি’র কারণে সতর্কতার জন্য বিমান অপারেটরদের সতর্ক করে একটি বার্তা দেয়। ফলে মেক্সিকোতে স্বভাবতই উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।
শেইনবাউম বলেছেন, প্রথমে ঐ বিষয়ে মেক্সিকোকে আগাম অবহিত করা হয়নি, কিন্তু পরে যুক্তরাষ্ট্রের সরকার ‘লিখিত’ নিশ্চয়তা দিয়েছে যে কোনো মার্কিন সামরিক বিমান মেক্সিকোর ভূখণ্ডের ওপর উড়বে না। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র কোন সামরিক অপারেশন চালাচ্ছে না বলে নির্দিষ্ট অবস্থান নির্দেশও দেয়া হয়েছে। মেক্সিকো সরকার ওই এফএএ সতর্কবার্তার ঘনিষ্ঠ কোনো প্রভাব নেই বলেও জানিয়েছে।
পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে টলুকা বিমানবন্দরে একটি মার্কিন সামরিক পরিবহন বিমান স্থলে দাঁড়িয়ে থাকা ছবি ছড়িয়ে পড়ে, যার ফলে সরকারকে বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে হয়। বিরোধী দলীয় সেনেটর ক্লেমেন্ট ক্যাস্তানেদা সরকারকে ব্যাখ্যা চেয়েছিলেন, কারণ মেক্সিকোতে বিদেশি সেনা প্রবেশ বা বিদেশে মেক্সিকান সৈন্য পাঠানোর অনুমোদনের জন্য সেনেটোর অনুমোদন লাগার কথা।
শেইনবাউম এই ঘটনাটিকে ‘লজিস্টিক্যাল’ কার্যক্রম বলে উল্লেখ করেছেন, যা সেনেটো অনুমোদনের প্রয়োজনীয়তা রাখে না, এবং বলেছেন এটি প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি কর্মীদের যাত্রা ছিল। তিনি জানিয়েছেন, এই ধরণের প্রশিক্ষণকার্য দুই দেশের মানা প্রোটোকল ও দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা চুক্তির আওতায় হয়েছে।
এছাড়া সাম্প্রতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ঘটনাগুলো শুধু সামরিক গতিবিধির জন্য নয়, বরং ট্রাম্প প্রশাসনের ভেনেজুয়েলা ও কার্টেলের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ভাবনা এবং সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের প্রস্তাবের ফলে যে সংবেদনশীলতা তৈরি হয়েছে, তার প্রতিফলনও। মেক্সিকো জোর দিয়ে জানিয়েছে যে তারা তার সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন সহ্য করবে না, এবং নিরাপত্তা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।

সর্বশেষ | ২২ জানুয়ারি ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক গতিবিধির উদ্বেগ শিথিল করলেন মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট

বিস্তারিত | dainikamarnews.com
বিষয় :

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক গতিবিধির উদ্বেগ শিথিল করলেন মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট

Update Time : ০২:৪২:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউম সোমবার বলেছেন, মেক্সিকোর কাছে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক দুটি সামরিক গতিবিধি সম্পর্কে তাদের উদ্বেগ ভুল বোঝাবুঝি থেকে উদ্ভূত হয়েছে এবং তা শিথিল করা হয়েছে। এই ঘটনাগুলো ভেনেজুয়েলায় পূর্ববর্তী হামলার পর মেক্সিকোসহ গোটা অঞ্চলে উদ্বেগ তৈরি করেছিল।
শুক্রবার, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) পূর্ব প্যাসিফিক মহাসাগরের উপরে, মেক্সিকো, মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকার কিছু অংশের কাছে ‘সামরিক গতিবিধি’র কারণে সতর্কতার জন্য বিমান অপারেটরদের সতর্ক করে একটি বার্তা দেয়। ফলে মেক্সিকোতে স্বভাবতই উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।
শেইনবাউম বলেছেন, প্রথমে ঐ বিষয়ে মেক্সিকোকে আগাম অবহিত করা হয়নি, কিন্তু পরে যুক্তরাষ্ট্রের সরকার ‘লিখিত’ নিশ্চয়তা দিয়েছে যে কোনো মার্কিন সামরিক বিমান মেক্সিকোর ভূখণ্ডের ওপর উড়বে না। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র কোন সামরিক অপারেশন চালাচ্ছে না বলে নির্দিষ্ট অবস্থান নির্দেশও দেয়া হয়েছে। মেক্সিকো সরকার ওই এফএএ সতর্কবার্তার ঘনিষ্ঠ কোনো প্রভাব নেই বলেও জানিয়েছে।
পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে টলুকা বিমানবন্দরে একটি মার্কিন সামরিক পরিবহন বিমান স্থলে দাঁড়িয়ে থাকা ছবি ছড়িয়ে পড়ে, যার ফলে সরকারকে বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে হয়। বিরোধী দলীয় সেনেটর ক্লেমেন্ট ক্যাস্তানেদা সরকারকে ব্যাখ্যা চেয়েছিলেন, কারণ মেক্সিকোতে বিদেশি সেনা প্রবেশ বা বিদেশে মেক্সিকান সৈন্য পাঠানোর অনুমোদনের জন্য সেনেটোর অনুমোদন লাগার কথা।
শেইনবাউম এই ঘটনাটিকে ‘লজিস্টিক্যাল’ কার্যক্রম বলে উল্লেখ করেছেন, যা সেনেটো অনুমোদনের প্রয়োজনীয়তা রাখে না, এবং বলেছেন এটি প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি কর্মীদের যাত্রা ছিল। তিনি জানিয়েছেন, এই ধরণের প্রশিক্ষণকার্য দুই দেশের মানা প্রোটোকল ও দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা চুক্তির আওতায় হয়েছে।
এছাড়া সাম্প্রতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ঘটনাগুলো শুধু সামরিক গতিবিধির জন্য নয়, বরং ট্রাম্প প্রশাসনের ভেনেজুয়েলা ও কার্টেলের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ভাবনা এবং সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের প্রস্তাবের ফলে যে সংবেদনশীলতা তৈরি হয়েছে, তার প্রতিফলনও। মেক্সিকো জোর দিয়ে জানিয়েছে যে তারা তার সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন সহ্য করবে না, এবং নিরাপত্তা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।

সর্বশেষ | ২২ জানুয়ারি ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক গতিবিধির উদ্বেগ শিথিল করলেন মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট

বিস্তারিত | dainikamarnews.com