শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টগর মিয়ার মাদক সেবনের ছবি-ভিডিও ভাইরাল, মাদক কারবারের অভিযোগে গ্রেপ্তারের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • প্রকাশিত : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬। ৩:০৪:১৮ পিএম

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার আটিগ্রাম ইউনিয়নের যাদবপুর এলাকায় মো. টগর মিয়াকে ঘিরে মাদক ব্যবসা, মাদক সেবন, চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও জমি দখলের মতো নানা অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

টগর মিয়া ওই এলাকার আব্বাস উদ্দিনের ছেলে।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তিনি মাদক সেবন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত। দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে নিরীহ মানুষকে পুলিশ দিয়ে গ্রেপ্তার করানোর ভয় দেখানো, মারধরের হুমকি এবং চাঁদাবাজি ও জমি দখলের মতো কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি আওয়ামী লীগের একটি প্রভাবশালী বাহিনীর সঙ্গে সখ্যতা রেখে এলাকায় দাপট দেখাতেন। বর্তমানে নিজেকে বিএনপির সহযোগী সংগঠন যুবদলের নেতা হিসেবে পরিচয় দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

 

অভিযোগ রয়েছে, টগর মিয়ার মেয়ের জামাতা ও জামাতার আরেক ভাই পুলিশে কর্মরত থাকায় এলাকায় তার প্রভাব আরও বেড়েছে। এ কারণে তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কথা বলতে অনেকেই ভয় পান বলে দাবি স্থানীয়দের।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে টগর মিয়ার মাদক সেবনের দাবি করে কিছু ভিডিও ও ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। এসব ছবি ও ভিডিও নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা চলছে।

স্থানীয়দের আরো অভিযোগ, তিনি একাই এলাকার তরুণ সমাজকে মাদকের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন।

এছাড়া বিভিন্ন এলাকা থেকে মাদকসেবী ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত কিছু তরুণ-তরুণীকে ব্যবহার করে ভালো পরিবারের যুবকদের মাদক সেবন ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, দ্রুত তদন্ত করে টগর মিয়ার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।

তাদের মতে, মাদকের বিস্তার ঠেকাতে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে আটিগ্রাম ইউনিয়নের তরুণ সমাজ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এ বিষয়ে টগরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এ বিষয়ে মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন, টগর মিয়াকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা বা অন্য কোনো অপরাধে সম্পৃক্ততার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের বক্তব্য, শুধু নজরদারির আশ্বাস নয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওসহ অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করে তাকে অতি দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

অপরাধ | ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টগর মিয়ার মাদক সেবনের ছবি-ভিডিও ভাইরাল, মাদক কারবারের অভিযোগে গ্রেপ্তারের দাবি

বিস্তারিত | dainikamarnews.com
বিষয় :

টগর মিয়ার মাদক সেবনের ছবি-ভিডিও ভাইরাল, মাদক কারবারের অভিযোগে গ্রেপ্তারের দাবি

Update Time : ০৩:০৪:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার আটিগ্রাম ইউনিয়নের যাদবপুর এলাকায় মো. টগর মিয়াকে ঘিরে মাদক ব্যবসা, মাদক সেবন, চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও জমি দখলের মতো নানা অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

টগর মিয়া ওই এলাকার আব্বাস উদ্দিনের ছেলে।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তিনি মাদক সেবন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত। দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে নিরীহ মানুষকে পুলিশ দিয়ে গ্রেপ্তার করানোর ভয় দেখানো, মারধরের হুমকি এবং চাঁদাবাজি ও জমি দখলের মতো কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি আওয়ামী লীগের একটি প্রভাবশালী বাহিনীর সঙ্গে সখ্যতা রেখে এলাকায় দাপট দেখাতেন। বর্তমানে নিজেকে বিএনপির সহযোগী সংগঠন যুবদলের নেতা হিসেবে পরিচয় দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

 

অভিযোগ রয়েছে, টগর মিয়ার মেয়ের জামাতা ও জামাতার আরেক ভাই পুলিশে কর্মরত থাকায় এলাকায় তার প্রভাব আরও বেড়েছে। এ কারণে তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কথা বলতে অনেকেই ভয় পান বলে দাবি স্থানীয়দের।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে টগর মিয়ার মাদক সেবনের দাবি করে কিছু ভিডিও ও ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। এসব ছবি ও ভিডিও নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা চলছে।

স্থানীয়দের আরো অভিযোগ, তিনি একাই এলাকার তরুণ সমাজকে মাদকের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন।

এছাড়া বিভিন্ন এলাকা থেকে মাদকসেবী ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত কিছু তরুণ-তরুণীকে ব্যবহার করে ভালো পরিবারের যুবকদের মাদক সেবন ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, দ্রুত তদন্ত করে টগর মিয়ার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।

তাদের মতে, মাদকের বিস্তার ঠেকাতে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে আটিগ্রাম ইউনিয়নের তরুণ সমাজ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এ বিষয়ে টগরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এ বিষয়ে মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন, টগর মিয়াকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা বা অন্য কোনো অপরাধে সম্পৃক্ততার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের বক্তব্য, শুধু নজরদারির আশ্বাস নয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওসহ অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করে তাকে অতি দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

অপরাধ | ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টগর মিয়ার মাদক সেবনের ছবি-ভিডিও ভাইরাল, মাদক কারবারের অভিযোগে গ্রেপ্তারের দাবি

বিস্তারিত | dainikamarnews.com