শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতে দণ্ডপ্রাপ্ত হাসিনাকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ায় বাংলাদেশের তীব্র ক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২৬। ৫:২৯:৫১ এএম

ভারতে পালিয়ে থাকা ও দণ্ডপ্রাপ্ত স্বৈরশাসক শেখ হাসিনাকে নয়াদিল্লির সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ দেওয়ায় তীব্র ক্ষোভ ও গভীর হতাশা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। সরকার বলেছে, ওই অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীরা বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও জনগণের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দিয়েছেন।

গতকাল বুধবার (৫ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালনের দিনে ভারতের মাটিতে শেখ হাসিনার এই বক্তব্য বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি অবমাননা এবং জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্মৃতির প্রতি গুরুতর অসম্মান। জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠিত তথ্য, বিশেষ করে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে নিরীহ মানুষ ও শিশু হত্যার ঘটনাকে অস্বীকার করার চেষ্টা ইতিহাসকে বিকৃত করার ব্যর্থ প্রয়াস বলেও উল্লেখ করা হয়।

তবে ২০১৩ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য বাংলাদেশের বারবার অনুরোধের বিষয়ে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। এর বিপরীতে তাকে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ্যে কথা বলার সুযোগ দেওয়া বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে এবং দুই দেশের সুসম্পর্ক বিকাশের জন্য ক্ষতিকর বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

জাতীয় | ৬ আগস্ট ২০২৬

ভারতে দণ্ডপ্রাপ্ত হাসিনাকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ায় বাংলাদেশের তীব্র ক্ষোভ

বিস্তারিত | dainikamarnews.com

ভারতে দণ্ডপ্রাপ্ত হাসিনাকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ায় বাংলাদেশের তীব্র ক্ষোভ

Update Time : ০৫:২৯:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

ভারতে পালিয়ে থাকা ও দণ্ডপ্রাপ্ত স্বৈরশাসক শেখ হাসিনাকে নয়াদিল্লির সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ দেওয়ায় তীব্র ক্ষোভ ও গভীর হতাশা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। সরকার বলেছে, ওই অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীরা বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও জনগণের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দিয়েছেন।

গতকাল বুধবার (৫ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালনের দিনে ভারতের মাটিতে শেখ হাসিনার এই বক্তব্য বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি অবমাননা এবং জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্মৃতির প্রতি গুরুতর অসম্মান। জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠিত তথ্য, বিশেষ করে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে নিরীহ মানুষ ও শিশু হত্যার ঘটনাকে অস্বীকার করার চেষ্টা ইতিহাসকে বিকৃত করার ব্যর্থ প্রয়াস বলেও উল্লেখ করা হয়।

তবে ২০১৩ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য বাংলাদেশের বারবার অনুরোধের বিষয়ে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। এর বিপরীতে তাকে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ্যে কথা বলার সুযোগ দেওয়া বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে এবং দুই দেশের সুসম্পর্ক বিকাশের জন্য ক্ষতিকর বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

জাতীয় | ৬ আগস্ট ২০২৬

ভারতে দণ্ডপ্রাপ্ত হাসিনাকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ায় বাংলাদেশের তীব্র ক্ষোভ

বিস্তারিত | dainikamarnews.com