শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিংগাইরে প্রবাস ফেরত আনোয়ারের দুটি কিডনিই অচল, বাঁচতে চান তিনি

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • প্রকাশিত : শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬। ৯:৫৮:১৩ এএম

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে মো. আনোয়ার হোসেন (৩০) নামের এক প্রবাসফেরত যুবকের দুটি কিডনিই অচল হয়ে পড়েছে। অর্থের অভাবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করাতে না পেরে বর্তমানে তিনি মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। আনোয়ার হোসেন উপজেলার বলধারা ইউনিয়নের রফিক নগর গ্রামের মো. চাঁন মিয়ার ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আনোয়ার হোসেন জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে ছিলেন। সেখানে থাকা অবস্থায় হঠাৎ তাঁর দুটি কিডনি অচল হয়ে যায় এবং ফুসফুসে পানি জমে। সৌদি আরবে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি কিছুদিন তাঁর চিকিৎসা করালেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় এক বছর আগে তাঁকে দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

দেশে ফেরার পর থেকে প্রতি সপ্তাহে নিয়মিত ডায়ালাইসিস করে আসছিলেন আনোয়ার। কোনো কাজ করার সক্ষমতা না থাকায় গত এক বছরে চিকিৎসার পেছনে তাঁর সারা জীবনের সঞ্চয় শেষ হয়ে গেছে। গত চার দিন ধরে তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, তাঁকে বাঁচাতে হলে দীর্ঘমেয়াদি ও ব্যয়বহুল চিকিৎসা প্রয়োজন।

বর্তমানে আনোয়ারের পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। তাঁর সুচিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করা পরিবারের পক্ষে অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে আনোয়ারের স্ত্রী, দুই শিশু সন্তান ও বৃদ্ধ বাবা-মা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। আনোয়ারকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান ও দানশীল ব্যক্তিদের কাছে মানবিক সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছে তাঁর পরিবার।

স্বল্প সহায়তায় বেঁচে যেতে পারে একটি প্রাণ, রক্ষা পেতে পারে একটি অসহায় পরিবার।

সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা: নগদ (পার্সোনাল নম্বর): ০১৬১৬-৪৯০৬২২

সারাদেশ | ১৮ এপ্রিল ২০২৬

সিংগাইরে প্রবাস ফেরত আনোয়ারের দুটি কিডনিই অচল, বাঁচতে চান তিনি

বিস্তারিত | dainikamarnews.com
বিষয় :

সিংগাইরে প্রবাস ফেরত আনোয়ারের দুটি কিডনিই অচল, বাঁচতে চান তিনি

Update Time : ০৯:৫৮:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে মো. আনোয়ার হোসেন (৩০) নামের এক প্রবাসফেরত যুবকের দুটি কিডনিই অচল হয়ে পড়েছে। অর্থের অভাবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করাতে না পেরে বর্তমানে তিনি মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। আনোয়ার হোসেন উপজেলার বলধারা ইউনিয়নের রফিক নগর গ্রামের মো. চাঁন মিয়ার ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আনোয়ার হোসেন জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে ছিলেন। সেখানে থাকা অবস্থায় হঠাৎ তাঁর দুটি কিডনি অচল হয়ে যায় এবং ফুসফুসে পানি জমে। সৌদি আরবে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি কিছুদিন তাঁর চিকিৎসা করালেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় এক বছর আগে তাঁকে দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

দেশে ফেরার পর থেকে প্রতি সপ্তাহে নিয়মিত ডায়ালাইসিস করে আসছিলেন আনোয়ার। কোনো কাজ করার সক্ষমতা না থাকায় গত এক বছরে চিকিৎসার পেছনে তাঁর সারা জীবনের সঞ্চয় শেষ হয়ে গেছে। গত চার দিন ধরে তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, তাঁকে বাঁচাতে হলে দীর্ঘমেয়াদি ও ব্যয়বহুল চিকিৎসা প্রয়োজন।

বর্তমানে আনোয়ারের পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। তাঁর সুচিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করা পরিবারের পক্ষে অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে আনোয়ারের স্ত্রী, দুই শিশু সন্তান ও বৃদ্ধ বাবা-মা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। আনোয়ারকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান ও দানশীল ব্যক্তিদের কাছে মানবিক সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছে তাঁর পরিবার।

স্বল্প সহায়তায় বেঁচে যেতে পারে একটি প্রাণ, রক্ষা পেতে পারে একটি অসহায় পরিবার।

সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা: নগদ (পার্সোনাল নম্বর): ০১৬১৬-৪৯০৬২২

সারাদেশ | ১৮ এপ্রিল ২০২৬

সিংগাইরে প্রবাস ফেরত আনোয়ারের দুটি কিডনিই অচল, বাঁচতে চান তিনি

বিস্তারিত | dainikamarnews.com