শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুয়াশায় ক্ষতিগ্রস্ত বোরো বীজতলা, দুশ্চিন্তায় কৃষক

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • প্রকাশিত : রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬। ২:২১:০২ পিএম

চাঁপাইনবাবগঞ্জে টানা এক সপ্তাহের ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে বোরো ধানের বীজতলা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী পলিথিন ও ছত্রাক নাশক ব্যবহার করেও অনেক ক্ষেত্রে চারা রক্ষা করা যাচ্ছে না। ফলে কৃষকের কষ্টে তৈরি চারা সাদা হয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

 

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে জেলায় ৪৭ হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে ২ হাজার ২১০ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরি করা হয়। তবে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে এর বড় একটি অংশ ঝুঁকিতে পড়েছে।

তীব্র শীতের কারণে অনেক বীজতলা সাদা ও হলদেটে হয়ে গেছে। সদর উপজেলার আমনুরা এলাকার কৃষক আমিনুল ইসলাম বলেন, “পলিথিন ও দামি ওষুধ ব্যবহার করেও চারার উন্নতি হচ্ছে না।” একই উদ্বেগের কথা জানান ইসলামপুর ইউনিয়নের কৃষক কামাল উদ্দীন।

 

কৃষকদের আশঙ্কা, বীজতলা পুরোপুরি নষ্ট হলে বাইরে থেকে চড়া দামে চারা কিনতে হবে; এতে বোরো আবাদে উৎপাদন খরচ দ্বিগুণ বেড়ে যেতে পারে। শিবগঞ্জ উপজেলার কৃষক তাইফুর ইসলাম বলেন, “কুয়াশা ও শিশিরে চারার গোড়া পচে যাচ্ছে। দ্রুত আবহাওয়া স্বাভাবিক না হলে বড় সংকট তৈরি হবে।”

এ বিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. ইয়াছিন আলী বলেন, কুয়াশা ও অতিরিক্ত শীতের কারণে চারাগাছে কোল্ড ইনজুরির ঝুঁকি বাড়ছে। কৃষকদের সন্ধ্যায় পলিথিন দিয়ে বীজতলা ঢেকে রাখা, পানি সরিয়ে ফেলা এবং সকালে সালফার জাতীয় ছত্রাক নাশক স্প্রে করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহের পর আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

কৃষি | ২৯ মার্চ ২০২৬

কুয়াশায় ক্ষতিগ্রস্ত বোরো বীজতলা, দুশ্চিন্তায় কৃষক

বিস্তারিত | dainikamarnews.com
বিষয় :

কুয়াশায় ক্ষতিগ্রস্ত বোরো বীজতলা, দুশ্চিন্তায় কৃষক

Update Time : ০২:২১:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জে টানা এক সপ্তাহের ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে বোরো ধানের বীজতলা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী পলিথিন ও ছত্রাক নাশক ব্যবহার করেও অনেক ক্ষেত্রে চারা রক্ষা করা যাচ্ছে না। ফলে কৃষকের কষ্টে তৈরি চারা সাদা হয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

 

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে জেলায় ৪৭ হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে ২ হাজার ২১০ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরি করা হয়। তবে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে এর বড় একটি অংশ ঝুঁকিতে পড়েছে।

তীব্র শীতের কারণে অনেক বীজতলা সাদা ও হলদেটে হয়ে গেছে। সদর উপজেলার আমনুরা এলাকার কৃষক আমিনুল ইসলাম বলেন, “পলিথিন ও দামি ওষুধ ব্যবহার করেও চারার উন্নতি হচ্ছে না।” একই উদ্বেগের কথা জানান ইসলামপুর ইউনিয়নের কৃষক কামাল উদ্দীন।

 

কৃষকদের আশঙ্কা, বীজতলা পুরোপুরি নষ্ট হলে বাইরে থেকে চড়া দামে চারা কিনতে হবে; এতে বোরো আবাদে উৎপাদন খরচ দ্বিগুণ বেড়ে যেতে পারে। শিবগঞ্জ উপজেলার কৃষক তাইফুর ইসলাম বলেন, “কুয়াশা ও শিশিরে চারার গোড়া পচে যাচ্ছে। দ্রুত আবহাওয়া স্বাভাবিক না হলে বড় সংকট তৈরি হবে।”

এ বিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. ইয়াছিন আলী বলেন, কুয়াশা ও অতিরিক্ত শীতের কারণে চারাগাছে কোল্ড ইনজুরির ঝুঁকি বাড়ছে। কৃষকদের সন্ধ্যায় পলিথিন দিয়ে বীজতলা ঢেকে রাখা, পানি সরিয়ে ফেলা এবং সকালে সালফার জাতীয় ছত্রাক নাশক স্প্রে করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহের পর আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

কৃষি | ২৯ মার্চ ২০২৬

কুয়াশায় ক্ষতিগ্রস্ত বোরো বীজতলা, দুশ্চিন্তায় কৃষক

বিস্তারিত | dainikamarnews.com